Posts

মরীচিকা

Image
  @ফৌজিয়া সুবর্না@ উষ্ণ মরুর ধূসর বুকে, উল্লসিত আজি সুখস্বপ্ন বুননে           স্বপ্নপুরীর স্বর্গসুধা বিরাজ করি সর্বত্র  নয়নে,লোচনে  অবগাহনে।       পিপাসু তব , হৃদয়ের তপ্ত রুধীরে করে রঞ্জিত           কোন সে মরীচিকার পিছু ছুটি ধুলায়ে লুটায়ে , ছিল যত প্রেম বুকে সঞ্চিত।।   নয়নে নয়ন রাখি, বাঁধিতে বাহুডোরে              সাধ জাগি তব, বলি করজোড়ে।। ত্রাহি ত্রাহি করে তব, দিলে ছুট...                ভীতু মন, তুমি ভাগিবারে।। করজোড়ে মিনতি ,প্রাণ ভিক্ষা তব চরণ যুগলে           বিগলিত করিত বৃথা চেষ্টায় নিষ্ফল হৃদ বাচিঁবারে  আশা হারায়ে মৃতবৎ এ ধরণীতলে।। হৃদয়ের পংক্তিমালায় গাঁথা ছিলো যে সুর          আজ তা বিলীন হয়ে হয়েছে ধূসর। ভালোবাসি, ভালোবাসা আজ বুঝি মিছে সবি         হৃদয় স্মৃতিপটে আঁকা বিবর্ণ জল ছবি।।      আজি খরগহস্তে বর্ম ভেদি হৃদয় করে বিদীর্ণ            ওরে পাষন্ড ,নরাধম ধিক শত ধিক তরে   হবি তুই একদিন জানি চূর্ণ। ____________

ঘোর থেকে বের হও

Image
@ফৌজিয়া সুবর্না@ জাগো নারী জাতি, এই জীবনে জামাই ছাড়াও বহুত কিছু দেখবার জানবার আছে ۔۔ খোলস থেকে বের হও ۔۔۔নিজের অস্তিত্ব খুঁজে নাও ۔۔۔জামাই জামাইর জায়গায় থাকবে ভালোবাসা ভালোবাসার জায়গায় ۔۔۔ নিজ্বস্যতায় কোন আপোষ হবে না ۔۔ শুধু একজনের জন্যে জীবন শেষ এই ধারণার জন্যে আয়ু কমে, আত্মহত্যা করে অথবা চরম মানসিক কষ্টে জীবন অতিবাহিত করে বেশিরভাগ নারীরা ۔۔এছাড়া একজন ডিভোর্সড সিঙ্গেল বা পারিবারিক নির্যাতিত মেয়েকে শুনতে হয় সে সংসার করার মন্ত্র বা কারিশমাই জানে না۔۔ পুরুষকে সন্তুষ্ট করার সব মন্ত্র মুখস্থ করার দায়িত্ব নারীর একার নয়! মাঝে মধ্যে পুরুষকেও নারীর মন জয় করার মন্ত্র শেখার পরিবেশ তৈরী করতে হবে! কোন পুরুষের বা হাসব্যান্ড এর দেয়া character certificate অর্জন এর বৃথা চেষ্টা করো না ۔۔কিছু না পেলে এরা মেয়েদের কোনঠাসা করতে ধর্মের দোহাই দেয় অথচ নিজেরাই ধর্ম মানে না ঠিকমতো۔۔ ۔۔ এদের মধ্যে অনেকেই আবার বেগানা বেপর্দা মেয়েদের fb তে frnd req পাঠায় আবার মাঝে মাঝে ইনবক্স এ তাদের নোংরা চরিত্রও বুঝায়۔۔ পাত্তা না দিলে নারীদের পোস্টের কমেন্টে আবার ধর্মীয় বেখ্যা দিয়ে বা আজে বাজে কথা বলে মনের জ্বালা মিটায় ! অ...
Image
।।।।।।।।।। বিয়ে নিয়ে ভাবনা।।।।।।।।।।             #ফৌজিয়া সুবর্না#                                                                                   ((((  লাভ মেরেজ মানে নিজের বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড কে বিয়ে করা আর এরেন্জ্ঞ মেরেজ মানে অন্যের গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড কে বিয়ে করা।।))))) বিয়ে হলো একজন মানুষের দৈহিক,মানসিক, বংশধারা ও আত্মিক প্রয়োজন পূরনের একটি সমাজ ও ধর্মসিদ্ধ পক্রিয়া। বিয়েটা শুধু জৈবিক চাহিদা পূরন, শুধু হানিমুন, রেস্টুরেন্ট বা রোমান্টিকতা নয় বরং বিয়ে হচ্ছে একটি দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত মনে করলেই কেবল একটি ছেলে বা মেয়ের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া উচিৎ।  আর বিয়ে সবসময় সম-সামাজিক,সম- সাংস্কৃতিক, সম- আর্থিক এবং সম-ধর্মীয় পরিমন্ডলে হওয়া উচিৎ। কারন বিয়েটা শুধু একটি নারী এবং পুরুষের নয়,দুই পরিবারের। খালাতো, মামাতো ,চাচাতো, ফুফাতো সম্পর্কীয় বিয়ে করা মানে ,  নিজের পায়ে নিজে কুঁড়াল মারা ।  আত্মীয়ের মাঝে আত্মীয়তা করাটাই ঠিক নয় । তাতে হিতের বিপরীত হয়। স্বামী- স্ত্রী'র  বয়সের ব্যবধান অবশ্যই ৫/৭ বছরের উর্ধ্বে হওয়া উচিত নয় ।এর বেশি হলে জেনারেশন গ্যাপ বলে এক...

আমার আমি

Image
কোনো ইচ্ছে নেই আমার ,          মৃত্যুঞ্জয়ের বিলাসী হবার।   ইচ্ছে নেই কভু রাতভর জেগে       সেবা স্বপ্নবিলাসী কাঁথা হবার।               আমার কোন ইচ্ছে নেই  নীল শাড়ীতে হিমুর রুপা হওয়ার। ইচ্ছে নেই জোছনা হয়ে চাঁদের গাঁয়ে লেপ্টে থাকার। ভুলেও ভাবি না , নিজেকে বদলে         অপুর যোগ্য মৃন্ময়ী হয়ে গড়ে তুলবার।   কোন ইচ্ছেও করেনা          দেবদাসের পার্বতী হয়ে বেঁচে থাকার।             চাইনা কেউ কাঠগোলাপ গুজে দিক এলো চুলে কিংবা খোঁপায় গভীর আহ্লাদের ভালোবাসায়। চাইনা আমি গোলাপ হয়ে কেউ সুবাসিত করুক আমার বিবর্ণ আঙ্গিনা। আমি মোটেও চাই না কফি শপ ,রেস্তোরাঁয় পাশাপাশি দুজন খোশ গল্পে মশগুল হয়ে         কল্পনার জগত সাজাতে। চাইনা আমি চেনা পথে হারাই আবার এক মুঠো রোদ্দুরের আড়ালে ছাঁয়া ঘেরা কোন সুখের উৎসুকে। চাইনা আমি শিশির জলে নিত্য কেউ আনমনে সাজাক আমার ভুবনটাকে। আর কখনো চাইনা বর্ণহীন সে এসে   মিথ্যে আশ্বাসে গোলকধাঁধায়ফেলে    নিয়ে যাক অন্য দুনিয়ায়।     চাই শুধু কেউ ভুলে যাক আমায় খুব যতন করে, খুব করে চাই কেউ ভুলে থাকুক অন্তহীন অনন্তকাল ধরে, তার বুকের জমিন জুড়ে.......... ভুলে থাকুক তার উদাসী আকাশ জুড়ে।  ...

ছোট্টবেলার ভিমরি

Image
সেই ছোট্টবেলার কথা ।তখন আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ি। একদিন স্কুল থেকে বাড়ি যাবার পথে দেখলাম রাস্তা পাকা করার কাজ চলছে। পিচ ঢালাই করা হচ্ছে রাস্তায়। কেমন যেন একটা গন্ধ বেশ ভালই লাগছিল। গন্ধটা আমার কাছে বেশ আকর্ষনীয় লাগছিল বুক ভরে নিঃশ্বাস নিচ্ছিলাম। স্কুল ছুটির পর আমরা চাচাতো ভাই বোন সবাই একসাথে বাড়ি ফিরি । রোজকার মতো সেদিনও যাচ্ছিলাম সাথে আরও ৩-৪ জন। আমার এক চাচাতো ভাই ও চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। ও লক্ষ্য করলো পিচ আর কেরোসিনের গন্ধ বুক ভরে নিঃশ্বাসের সাথে নিচ্ছিলাম আমি।ও একটু মৃদু হেসে বলল শোন।।।। জানিস এই পিচ কত উপকারী? আমি বললাম না তো ভাইয়া। ও তখন বলল এই পিচ যদি কাঠে লাগানো হয় তাহলে সেই কাঠে ঘুন পোকা ধরে না। আমি অবাক হয়ে খুব উৎফুল্ল তার সাথে বললাম ভাইয়া তাই নাকি!!! ভাইয়া বলল হ্যাঁ। তখন বললাম তাহলে এখান থেকে কিছু পিচ নিয়ে নেই বাড়িতে যে গিয়ে এগুলোকে লাগিয়ে দিব কাঠের গায়ে। যেই কথা সেই কাজ।।। হাত দিয়ে খামচে খামচে ড্রামের গা থেকে কিছুটা পিচ নিলাম। রাস্তায় কর্মরত লোক গুলো বলছিলো.. বাচ্চারা কি করছো তোমরা? তখন ভয়ে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে ছুট্টে পালালাম। তারপর বাড়ি ...

অদৃশ্য ক্ষত

Image
সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই একসাথে চা নাস্তা করতে বসেছে নীলিমা। হঠাৎ ই একটি অপরিচিত নং থেকে কল আসে। রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে একটি ছেলে কন্ঠ বলে...আপা কেমন আছেন? আমি নিলয়। নীলিমা কিছুটা ইতস্তত বোধ করে বললো তুমি কেমন আছো?  বলতে  গিয়ে কেমন জানি হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল খুব ভয় হচ্ছিল ওর। ওর বাবা যদি শুনে ফেলে.. কার সাথে কথা বলছো ও। আর কি বা বলছে। যাই হোক আগে জানতে হবে আজ এতদিন পর হঠাৎ নিলয় কেন ফোন দিয়েছে। কি বলতে চায় ও। নীলিমা বারান্দার দরজাটা আটকে দিয়ে খুব চাপা গলায় বলে কেমন আছো? ওপাশ থেকে নিলয় বলে ভালো। আপা আমি নিরব ভাইয়াকে ফোন দিয়েছিলাম ।আম্মা বলছিল তোমার বাসায় গিয়ে কিছুদিন থাকবে সে তার নাতিদেরকে দেখতে চায়। ভাইয়া কে আমি বললাম আম্মার কথা ভাইয়া শুনে বলল আগে নীলিমার কাছে ফোন দিয়ে শোনো। আমি যতদূর জানি আব্বা এখন ওর বাসায় আছে।  নিলয় বলল, আপা আম্মা কি তাহলে তোমার বাসায় যাবে কিছুদিনের জন্য? আসলে আমাদের এখানে একটা ঝামেলা হয়েছে‍। কয়েক বছর আগে আব্বা এবং আম্মা দুজনে মিলে ব্যাংক থেকে কিছু টাকা লোন নিয়েছিল । সময়মতো সে টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক থেকে নোটিশ এসেছে এবং ওয়ারেন্ট জারি হয...

নির্বাক বক্তব্য

Image
আজ সকালে ঘুম ভাঙল পাখির কিচিরমিচির শব্দে। চে।খ খুলেই দেখি জানালায় একজোড়া শালিক। মনে হচ্ছে শালিক যুগল আপন মনে ক্ষুনশুটি করছে।  আমি  একটু নড়ে বসতেই পাখি দুটি ছুটাছুটি শুরু করলো। একটা পাখি বেরিয়ে  গেলো কিন্তু আরএকটি বেরুনোর রাস্তা হারিয়ে ফেলে ভয়ে এদিক ওদিক ছুটাছুটি শুরু করলো আর একসময় জানালার গ্লাসে দরাস করে বাড়ি খেয়ে পড়ে রইলো গ্রীল  এর ভেতর। । আমি খুবই আলতো হাতে পাখিটাকে ধরলাম।  অবাক কথা এই যে আমি পাখিটাকে ধরার পরও সে একটু নড়লো না। আমার দিকে করুণ এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। মনে হচ্ছিলো ও যেন আমায় কিছু বলছে যা ওর নির্বাক দৃষ্টি দিয়ে বুঝাতে চাইছে আমিও বুঝার চেষ্টা করলাম-----হ্যাঁ ও বলছে---- কি ভেবেছো তুমি???  আমি ডানা ঝাপটাবো?.? আস্ফালন করবো??প্রাণ ভিক্ষা চাইবো??? না না  আমি তা চাইনা।  তোমরা মানবকূল নির্দয় নিষ্টুর, দিনের পর দিন গাছ কাটে বনভূমি উজার কর, অট্টালিকা বানাও, প্রাসাদ গড়ো একবারও কী ভেবে দেখো আমরা পক্ষী সঙ্কুল যাবো কোথায়?? তোমরা কি পারোনা তোমাদের বাড়ির আঙ্গিনায় বা অট্টালিকার ছাদে গাছ লাগাতে। যাতে আমরা ও বেঁচে থাকতে পারি।তোমাদের প্রাসাদ অন্দরে প্রাণ বাচাঁতে যেন দিকবিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে ছুট...